সার্ক ক্যাডেট কোর সিরিজের পঞ্চম পর্বে আমরা পৌঁছেছি ভারত মহাসাগরের ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র মালদ্বীপে। আয়তনে ক্ষুদ্র হলেও মালদ্বীপের ক্যাডেট আন্দোলনের ইতিহাস দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রাচীন — এর শিকড় প্রোথিত ১৯৪৫ সালে। মালদ্বীপ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (Maldives National Cadet Corps — MNCC) আজ দেশটির বৃহত্তম যুব সংগঠন। এই পর্বে আমরা জানব MNCC-এর ইতিহাস, কাঠামো, প্রশিক্ষণ, র্যাঙ্ক ও মূলমন্ত্র, এবং বাংলাদেশের বিএনসিসির সাথে এর তুলনামূলক পর্যালোচনা।
ভূমিকা ও ঐতিহাসিক পটভূমি
মালদ্বীপে সংগঠিত ক্যাডেট কার্যক্রমের সূচনা ঘটে ১৯ মার্চ ১৯৪৫ সালে, রাজধানী মালের ঐতিহ্যবাহী মাজিদিয়া স্কুলে (Majeediyya School, তৎকালীন মাদ্রাসাতুল সানিয়্যা)। তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ও স্কুলটির প্রিন্সিপাল আল-আমির মোহাম্মদ আমিন দিদি (Mohamed Amin Didi) নির্বাচিত ৬০ জন ছাত্রকে নিয়ে একটি বিশেষ দল গঠন করেন, যার নাম ছিল “খাস্সা পার্টি” (Khaassa Party)। প্রাথমিক পর্যায়ে পুলিশ সার্জেন্টরা এই দলকে ফুট ড্রিল, সাঁতার ও নৌকা বাওয়ার প্রশিক্ষণ দিতেন। এই অর্থে মালদ্বীপের ক্যাডেট আন্দোলন দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে প্রাচীন ক্যাডেট ঐতিহ্যগুলোর একটি।
১৯৬০ সালে মাজিদিয়া স্কুলে ইংরেজি-মাধ্যম শিক্ষা চালু হলে প্রিন্সিপাল জে. ভি. হিল (JV Hill) দলটির নাম পরিবর্তন করে রাখেন মাজিদিয়া ক্যাডেট কোর (Majeediyya Cadet Corps — MCC)। ২৫ আগস্ট ১৯৬৩ সালে ক্যাডেটরা প্রথমবারের মতো শপথ গ্রহণ করে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে অস্ত্র হাতে পায়; এ সময় তাদের দুটি কোম্পানিতে বিভক্ত করা হয়। পরবর্তী দশকগুলোতে মালদ্বীপের ক্যাডেটরা শ্রীলঙ্কার দিয়াতালাওয়া (Diyatalawa) ক্যাডেট ক্যাম্পে অংশ নিতে শুরু করে — ১৯৬৬ সালে ২৩ জন এবং ১৯৬৮ সালে ২৫ জন ক্যাডেট সেখানে গিয়ে ড্রিল ও শুটিংয়ে কৃতিত্ব অর্জন করে।
আন্দোলনের সূচনার ৫০ বছর পূর্তি (সুবর্ণজয়ন্তী) উপলক্ষে ২৫ জুলাই ১৯৯৫ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মাউমুন আব্দুল গাইয়ুম (Maumoon Abdul Gayoom) সংগঠনটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে মালদ্বীপ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (MNCC) হিসেবে উদ্বোধন করেন। এরপর ২৫ জুলাই ২০১০ সালে ১৫তম বার্ষিকীতে তিনটি উইং (Wing) চালু করা হয় এবং ১৯ মার্চ ২০২০ সালে পালিত হয় মালদ্বীপের ক্যাডেট আন্দোলনের ৭৫ বছর পূর্তির ডায়মন্ড জুবিলি।
সাংগঠনিক কাঠামো ও নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়
MNCC-কে বর্ণনা করা হয় মালদ্বীপ ন্যাশনাল ডিফেন্স ফোর্স (Maldives National Defence Force — MNDF)-এর যুব শাখা হিসেবে। তবে এর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের দিক থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে: সংগঠনটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের (Ministry of Education) অধীনে পরিচালিত হয়, আর প্রশিক্ষণ ও রসদ-সংক্রান্ত (logistic) সহায়তা আসে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তথা MNDF থেকে। অর্থাৎ শিক্ষা ও প্রতিরক্ষা — এই দুই মন্ত্রণালয়ের যৌথ সমন্বয়ে এটি কাজ করে। সদর দপ্তর রাজধানী মালের ফিলা বিল্ডিং, বোদুথাকুরুফানু মাগুতে (Filaa Building, Boduthakurufaanu Magu, Malé) অবস্থিত।
নেতৃত্বকাঠামোর শীর্ষে রয়েছেন সুপ্রিম কমান্ডার হিসেবে দেশের রাষ্ট্রপতি, এবং ডেপুটি সুপ্রিম কমান্ডার হিসেবে শিক্ষামন্ত্রী। দৈনন্দিন পরিচালনার দায়িত্বে থাকেন একজন কমান্ডিং অফিসার (সাধারণত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদমর্যাদার), একজন অ্যাডজুট্যান্ট এবং MNCC-এর ডিরেক্টর ও ডেপুটি ডিরেক্টর। সংগঠনটির তিনটি উইং রয়েছে — আর্মি উইং (Army Wing), সি উইং (Sea Wing) ও পুলিশ উইং (Police Wing) — যেগুলো ২০১০ সালে চালু হয়। ভৌগোলিকভাবে পুরো দেশকে চারটি এরিয়া রেজিমেন্টে ভাগ করা হয়েছে: নর্দার্ন এরিয়া, মালে এরিয়া, সেন্ট্রাল এরিয়া ও সাউদার্ন এরিয়া। MNCC-এর নিজস্ব রং লাল ও সবুজ, এবং এর পতাকা লাল রঙের মাঝে সংগঠনের মনোগ্রাম সংবলিত।
লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও মূলমন্ত্র
MNCC-এর মূলমন্ত্র (Motto): “To Obey and To Be Loyal” — অর্থাৎ “আনুগত্য ও বিশ্বস্ততা”। এর পাশাপাশি সংগঠনটির রয়েছে একটি সম্মান-নীতি (Honor Code): “আমরা মিথ্যা বলব না, চুরি করব না, প্রতারণা করব না এবং আমাদের মধ্যে কাউকে এসব করতে দেব না।”
সংগঠনটির ঘোষিত ভিশন হলো নেতৃত্ব, দেশপ্রেম ও সেবার মনোভাবসম্পন্ন অনুকরণীয় তরুণ নাগরিক গড়ে তোলা। মিশন হিসেবে তারা এমন যুবসমাজ তৈরি করতে চায় যারা ইসলামি মূল্যবোধ ধারণ করবে, দায়িত্বশীল নেতৃত্ব দেবে, জাতীয় উন্নয়নে অংশ নেবে এবং দুর্যোগে দৃঢ়তা দেখাবে। মূল দায়িত্বগুলোর মধ্যে রয়েছে — ঈমান, দেশপ্রেম ও চরিত্র গঠন; দুর্যোগ মোকাবিলা ও জাতীয় নিরাপত্তায় সহায়তার জন্য ক্যাডেটদের প্রস্তুত করা; এবং আত্মবিশ্বাস, দলগত কাজ ও নেতৃত্বের গুণ বিকাশ। লক্ষণীয়, মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র হিসেবে মালদ্বীপের ক্যাডেট প্রশিক্ষণে ইসলামি মূল্যবোধকে স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
ক্যাডেট সংখ্যা ও বিস্তৃতি
MNCC-কে বলা হয় মালদ্বীপের বৃহত্তম যুব সংগঠন। সদস্যভুক্ত হয় দেশজুড়ে বিভিন্ন স্কুলের ক্যাডেট ও ব্যান্ড সদস্য (bandsmen), যাদের বয়স ১১ বছরের বেশি। অফিসিয়াল সূত্র অনুযায়ী সংগঠনটি চারটি এরিয়া রেজিমেন্টের অধীনে প্রায় ৩৯টি স্কুলে বিস্তৃত — নর্দার্ন এরিয়ায় ৯টি, মালে এরিয়ায় ১৭টি, সেন্ট্রাল এরিয়ায় ২টি এবং সাউদার্ন এরিয়ায় ১১টি।
সততার সাথে একটি স্পষ্টীকরণ: মালদ্বীপ একটি ছোট দ্বীপরাষ্ট্র হওয়ায় MNCC-এর বর্তমান মোট ক্যাডেট সংখ্যার কোনো নির্দিষ্ট, হালনাগাদ অফিসিয়াল পরিসংখ্যান উন্মুক্ত সূত্রে পাওয়া যায়নি; তাই এখানে কোনো আনুমানিক সংখ্যা দাবি করা হলো না। কাঠামোগত দিক থেকে জানা যায় — একটি প্লাটুন চালু করতে ন্যূনতম ৩২ জন তালিকাভুক্ত শিক্ষার্থী প্রয়োজন; একটি কোম্পানিতে ১০০-এর কম ক্যাডেট থাকলে একজন জুনিয়র আন্ডার অফিসার এবং ১০০-এর বেশি হলে একজন সিনিয়র আন্ডার অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণ, ক্যাম্প ও কার্যক্রম
MNCC-এর স্কুল ক্যাডেট প্রশিক্ষণ পাঁচ বছরব্যাপী (ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি) একটি কাঠামোবদ্ধ মডিউল-ভিত্তিক পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়। প্রতিটি মডিউলে নির্দিষ্ট কন্টাক্ট আওয়ার (contact hours) বরাদ্দ থাকে:
- মডিউল ১ — ইনডাকশন প্রোগ্রাম (২০ ঘণ্টা): ফুট ড্রিল ও MNCC নিয়মাবলি।
- মডিউল ২ — বেসিক ট্রেনিং (৫০ ঘণ্টা): ফুট ড্রিল, শারীরিক প্রশিক্ষণ, অগ্নিনির্বাপণ, প্রাথমিক চিকিৎসা, ব্যক্তিত্ব বিকাশ ও নেতৃত্ব।
- মডিউল ৩ — অ্যাডভান্স ট্রেনিং (৫০ ঘণ্টা): শারীরিক প্রশিক্ষণ, নেতৃত্ব, নাগরিক শিক্ষা, রাইফেল ড্রিল।
- মডিউল ৪ — NCO ট্রেনিং (৩০ ঘণ্টা): দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, নেতৃত্ব, রাইফেল ও সেরিমোনিয়াল ড্রিল।
- মডিউল ৫ — সিনিয়র NCO ট্রেনিং (৩০ ঘণ্টা): নেতৃত্ব, শিক্ষণ-কৌশল, কেইন ড্রিল ও ফ্ল্যাগ ড্রিল।
সাধারণ ক্যাডেটদের পাশাপাশি ব্যান্ড ক্যাডেটদের জন্য রয়েছে সঙ্গীত-বিষয়ক আলাদা সমান্তরাল মডিউল (সুরজ্ঞান, বাদ্যযন্ত্র দক্ষতা, কন্ডাক্টিং ইত্যাদি)। ক্যাম্পের ক্ষেত্রে রয়েছে বেসিক ক্যাডেট ক্যাম্প, অ্যাডভান্স ক্যাডেট ক্যাম্প ও ন্যাশনাল ক্যাডেট ক্যাম্প; অগ্রসর প্রশিক্ষণের জন্য আগের স্তরের ক্যাম্প সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক। প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় ক্যাডেট ক্যাম্প — যেমন ২৫তম ন্যাশনাল ক্যাডেট ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয় ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত। এছাড়া মালদ্বীপ সক্রিয়ভাবে আন্তর্জাতিক ক্যাডেট বিনিময় কর্মসূচিতে (International Cadet Exchange Program) অংশ নেয়; গিরিফুশি (Girifushi) প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এই কার্যক্রমের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু।
র্যাঙ্ক, সার্টিফিকেট ও সুযোগ-সুবিধা
স্কুল ক্যাডেটদের জন্য MNCC-এর র্যাঙ্ক-কাঠামো নিম্নধাপ থেকে ঊর্ধ্বক্রমে সাজানো: ক্যাডেট প্রাইভেট (PTE) → ল্যান্স কর্পোরাল (LCPL) → কর্পোরাল (CPL) → সার্জেন্ট (SGT) → স্টাফ সার্জেন্ট (SSGT) → কোম্পানি সার্জেন্ট মেজর (CSM) → জুনিয়র আন্ডার অফিসার (JUO) → সিনিয়র আন্ডার অফিসার (SUO) → ব্যাটালিয়ন আন্ডার অফিসার (BUO)। এর বাইরে প্রশিক্ষক (instructor) পর্যায়ে রয়েছে ক্যাডেট ইনস্ট্রাক্টর ট্রেইনি (CIT), ওয়ারেন্ট অফিসার (WO1–WO4) এবং NCC লেফটেন্যান্ট থেকে লেফটেন্যান্ট কর্নেল পর্যন্ত কমিশন্ড পদমর্যাদা।
সততার সাথে উল্লেখযোগ্য একটি পার্থক্য: ভারত বা বাংলাদেশের মতো সুস্পষ্ট ‘A/B/C’ সার্টিফিকেট স্তরবিন্যাস MNCC-এর ক্ষেত্রে উন্মুক্ত সূত্রে পাওয়া যায়নি। পরিবর্তে এখানে ক্যাডেটদের অর্জন স্বীকৃত হয় প্রশিক্ষণ মডিউল সম্পন্নের ভিত্তিতে — যোগ্যতা-ব্যাজ, ক্যাম্প-ব্যাজ, রিবন ও মেডেলের মাধ্যমে। ভারত, শ্রীলঙ্কা, সিঙ্গাপুর, বাংলাদেশ ও নেপালে অনুষ্ঠিত বিদেশি ক্যাম্পে অংশগ্রহণের জন্য আলাদা “ওভারসিজ ক্যাম্প রিবন”-ও দেওয়া হয়। সুযোগ-সুবিধার মূল আকর্ষণ হলো নেতৃত্বের প্রশিক্ষণ, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্যাম্পে অংশগ্রহণ, এবং প্রতিরক্ষা বাহিনীর সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক।
বিএনসিসির সাথে তুলনা
বাংলাদেশের বিএনসিসি (BNCC) ও মালদ্বীপের MNCC — উভয়ই দক্ষিণ এশিয়ার ক্যাডেট ঐতিহ্যের অংশীদার, তবে দুটির মধ্যে মিল ও পার্থক্য উভয়ই চোখে পড়ে:
- প্রতিষ্ঠা ও ঐতিহ্য: বিএনসিসির শিকড় ১৯২৩ সালের ইউনিভার্সিটি ট্রেনিং কোর (UTC) পর্যন্ত বিস্তৃত; MNCC-এর সংগঠিত সূচনা ১৯৪৫ সালে। উভয় সংগঠনই এক শতাব্দীর কাছাকাছি প্রাচীন ঐতিহ্যের দাবিদার।
- নিয়ন্ত্রণ: বিএনসিসি সরাসরি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে; MNCC মূলত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে, MNDF কেবল প্রশিক্ষণ-সহায়তা দেয় — এটি একটি উল্লেখযোগ্য পার্থক্য।
- শাখা/উইং: বিএনসিসি একটি ত্রি-বাহিনীভিত্তিক (সেনা, নৌ ও বিমান শাখা) সংগঠন; MNCC-এর তিনটি উইং হলো আর্মি, সি ও পুলিশ — অর্থাৎ MNCC-তে বিমান শাখার বদলে পুলিশ উইং রয়েছে।
- পরিসর: বিএনসিসি স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় — তিন স্তরেই বিস্তৃত এবং সদস্য সংখ্যায় অনেক বড়; MNCC মূলত স্কুল পর্যায়ে (ষষ্ঠ–দশম শ্রেণি) কেন্দ্রীভূত এবং ছোট দেশ হিসেবে পরিসরেও সীমিত।
- মূলমন্ত্র: বিএনসিসির মূলমন্ত্র “জ্ঞান ও শৃঙ্খলা”; MNCC-এর মূলমন্ত্র “আনুগত্য ও বিশ্বস্ততা”। MNCC-এর প্রশিক্ষণে ইসলামি মূল্যবোধ স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত।
- সার্টিফিকেট: বিএনসিসিতে ক্যাডেট পদোন্নতি ও সার্টিফিকেট (A/B/C) ব্যবস্থা স্পষ্ট; MNCC-তে এর পরিবর্তে মডিউল, ব্যাজ ও রিবনভিত্তিক স্বীকৃতি ব্যবস্থা প্রচলিত।
দুই দেশের ক্যাডেট সম্পর্কের একটি উষ্ণ দিকও আছে: ২০১৪ সালে মালদ্বীপের একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের বিজয় দিবস ক্যাম্পে অংশ নেয় এবং ২০১৬ সালে বিএনসিসির একটি প্রতিনিধিদল মালদ্বীপ সফর করে। মালদ্বীপ বর্তমানে ভারত, শ্রীলঙ্কা, সিঙ্গাপুর, বাংলাদেশ ও নেপাল — এই পাঁচটি দেশের সাথে ক্যাডেট বিনিময় কর্মসূচি পরিচালনা করে, যেখানে বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।
তথ্যসূত্র
- Maldives National Cadet Corps — অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (About Us): https://nccmaldives.org.mv/aboutus.html
- Maldives National Cadet Corps — অফিসিয়াল ইতিহাস পেজ: https://nccmaldives.org.mv/history.html
- MNCC Cadet Handbook (Version 1, 2025) — অফিসিয়াল হ্যান্ডবুক: https://www.nccmaldives.org.mv/downloads/
- Maldives National Cadet Corps — Wikipedia: https://en.wikipedia.org/wiki/Maldives_National_Cadet_Corps
- বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (তুলনার জন্য): https://en.wikipedia.org/wiki/Bangladesh_National_Cadet_Corps
ব্যক্তিগত উদ্যোগে সংগৃহীত ও সম্পাদিত: ক্যাপ্টেন মুহম্মদ জিয়াউর রহমান, বিএনসিসি অফিসার। — https://bncc.work

Leave a Reply